প্রশ্নঃ কীভাবে উয়ারী-বটেশ্বরে প্রাচীন সভ্যতার খোঁজ পাওয়া যায়?
উত্তরঃ শ্রমিকেরা মাটি কাটার সময় প্রায়ই পুরানো জিনিস পেতেন; ১৯৩৩ সালে পাওয়া মুদ্রা স্কুলশিক্ষক হানিফ পাঠান সংগ্রহ করেন, পরে ধারাবাহিক সংগ্রহ ও ২০০০ সালের খননকাজে নগরের সন্ধান মেলে।
প্রশ্নঃ ‘খুবই সমৃদ্ধ ছিল প্রাচীন উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চল’ — কীভাবে এটি বোঝা যায়?
উত্তরঃ রৌপ্যমুদ্রা ও মুদ্রাভান্ডার, ইটের স্থাপত্য, বন্দর, পরিকল্পিত রাস্তা-গলি, মূল্যবান পাথর ও কাচের পুঁতি এবং রোমান সাম্রাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্য-যোগাযোগ থেকে।
বাক্য রচনা (২)
প্রশ্নঃ ‘নিদর্শন’ শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করি।
উত্তরঃ জাদুঘরে প্রাচীন নিদর্শনগুলো সাজিয়ে রাখা আছে।
প্রশ্নঃ ‘মৃত্তিকা’ শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করি।
উত্তরঃ মৃত্তিকার নিচে চাপা পড়ে ছিল প্রাচীন নগরটি।
কালভিত্তিক বাক্য (৩)
প্রশ্নঃ আজ, গতকাল ও আগামীকাল শব্দ ব্যবহার করে একই রকম বাক্য লিখি — নমুনা: সুজন আজ বেড়াতে এসেছে। এখন ‘পড়া’ দিয়ে তিনটি বাক্য লিখি।
উত্তরঃ আমি আজ পড়ছি। আমি গতকাল পড়েছিলাম। আমি আগামীকাল পড়ব।
প্রশ্নঃ আজ, গতকাল ও আগামীকাল শব্দ ব্যবহার করে ‘খেলা’ দিয়ে তিনটি বাক্য লিখি।
উত্তরঃ আমরা আজ মাঠে খেলছি। আমরা গতকাল মাঠে খেলেছিলাম। আমরা আগামীকাল মাঠে খেলব।
প্রশ্নঃ আজ, গতকাল ও আগামীকাল শব্দ ব্যবহার করে ‘যাওয়া’ দিয়ে তিনটি বাক্য লিখি।
উত্তরঃ সে আজ স্কুলে যাচ্ছে। সে গতকাল স্কুলে গিয়েছিল। সে আগামীকাল স্কুলে যাবে।
প্রশ্ন তৈরি (৬)
প্রশ্নঃ পাঠ থেকে প্রশ্ন বানাই — ‘কী’ দিয়ে একটি প্রশ্ন লিখি।
উত্তরঃ উয়ারী-বটেশ্বরে কী কী নিদর্শন পাওয়া গেছে?
প্রশ্নঃ পাঠ থেকে প্রশ্ন বানাই — ‘কেন’ দিয়ে একটি প্রশ্ন লিখি।
উত্তরঃ উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চলকে সমৃদ্ধ বলা হয় কেন?
প্রশ্নঃ পাঠ থেকে প্রশ্ন বানাই — ‘কোথায়’ দিয়ে একটি প্রশ্ন লিখি।
উত্তরঃ উয়ারী ও বটেশ্বর গ্রাম দুটি কোথায় অবস্থিত?
প্রশ্নঃ পাঠ থেকে প্রশ্ন বানাই — ‘কীভাবে’ দিয়ে একটি প্রশ্ন লিখি।
উত্তরঃ প্রাচীন নগরের খোঁজ কীভাবে পাওয়া গেল?
প্রশ্নঃ পাঠ থেকে প্রশ্ন বানাই — ‘কত’ দিয়ে একটি প্রশ্ন লিখি।
উত্তরঃ খননে কত বছরের প্রাচীন দুর্গ-নগরের সন্ধান মিলেছে?
প্রশ্নঃ পাঠ থেকে প্রশ্ন বানাই — ‘কেমন’ দিয়ে একটি প্রশ্ন লিখি।