প্রশ্নঃ শূন্যস্থান পূরণ করি: ‘প্রাতে’ শব্দের অর্থ ______।
উত্তরঃ সকালে
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (৫)
প্রশ্নঃ ‘শিক্ষাগুরুর মর্যাদা’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তরঃ কাজী কাদের নেওয়াজ
প্রশ্নঃ ‘শিক্ষাগুরুর মর্যাদা’ কবিতায় কোন বাদশাহর কথা আছে?
উত্তরঃ আলমগীর
প্রশ্নঃ ‘বারি’ শব্দের অর্থ কোনটি?
উত্তরঃ পানি
প্রশ্নঃ ‘জাহাঁপনা’ কাকে বলা হয়?
উত্তরঃ বাদশাহকে
প্রশ্নঃ ‘কেল্লা’ শব্দের অর্থ কোনটি?
উত্তরঃ দুর্গ
সত্য-মিথ্যা (৫)
প্রশ্নঃ সত্য না মিথ্যা: শাহজাদা নিজ হাতে শিক্ষকের পা ধুয়ে দিয়েছিল।
উত্তরঃ মিথ্যা
প্রশ্নঃ সত্য না মিথ্যা: বাদশাহ শিক্ষককে শাস্তি দিয়েছিলেন।
উত্তরঃ মিথ্যা
প্রশ্নঃ সত্য না মিথ্যা: কবিতাটি শিক্ষকের প্রতি সম্মানের শিক্ষা দেয়।
উত্তরঃ সত্য
প্রশ্নঃ সত্য না মিথ্যা: ‘শুধালে’ মানে শুধু।
উত্তরঃ মিথ্যা
প্রশ্নঃ সত্য না মিথ্যা: ‘নিস্তার’ শব্দের অর্থ রক্ষা।
উত্তরঃ সত্য
ছোট প্রশ্ন ও উত্তর (১)
প্রশ্নঃ বাদশাহর ছেলে পানি ঢেলে দেওয়ার সময় শিক্ষক কী করছিলেন?
উত্তরঃ নিজের হাতেই নিজের পায়ের ধুলা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করছিলেন।
বড় প্রশ্ন ও উত্তর (৪)
প্রশ্নঃ বাদশাহ আলমগীর একদিন সকালে কী দেখলেন?
উত্তরঃ শাহজাদা এক পাত্র হাতে নিয়ে গুরুর পায়ে পানি ঢালছে, আর শিক্ষক নিজের হাতে নিজের পায়ের ধুলা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করছেন।
প্রশ্নঃ শিক্ষক কেন ভয় পেলেন?
উত্তরঃ দিল্লির বাদশাহর ছেলের হাতে তিনি নিজের পায়ে পানি নিয়েছিলেন। তিনি ভাবলেন, এটি দুঃসাহসের কাজ, এমন অপরাধ কেউ কখনো করেনি — তাই আজ আর তাঁর রক্ষা নেই, হয়তো তাঁর সবকিছুই চলে যাবে।
প্রশ্নঃ শিক্ষক কী ভেবে মনে সাহস পেলেন?
উত্তরঃ তিনি ভাবলেন, শিক্ষক হিসেবে তিনি সবার শ্রেষ্ঠ; শিক্ষকের কাছে দিল্লির বাদশাহও তুচ্ছ। তিনি কারও কাছে ঋণী নন, তাঁর মনে বল আছে। বাদশাহ জিজ্ঞেস করলে তিনি অনর্গল শাস্ত্রের কথা শোনাবেন — তাতে প্রাণ যায় যাক, কারণ প্রাণের চেয়েও মান বড়ো।
প্রশ্নঃ শিক্ষকের উচ্ছ্বাসের কারণ কী?
উত্তরঃ বাদশাহ শিক্ষককে শাস্তি দেননি; বরং দুঃখ করে বললেন, তাঁর ছেলে কেন নিজের হাতে যত্ন করে গুরুর পা ধুয়ে দিল না। শিক্ষকের প্রতি বাদশাহর এমন গভীর শ্রদ্ধা দেখে শিক্ষক উচ্ছ্বসিত হলেন এবং বাদশাহকে কুর্নিশ করে উঁচু কণ্ঠে বললেন — আজ থেকে শিক্ষাগুরুর মাথা চিরদিনের জন্য উঁচু হলো।
বাক্য রচনা (২)
প্রশ্নঃ ‘কুর্নিশ’ শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করি।
উত্তরঃ শিক্ষক বাদশাহকে কুর্নিশ করে দাঁড়ালেন।
প্রশ্নঃ ‘মর্যাদা’ শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করি।
উত্তরঃ শিক্ষকের মর্যাদা সবার উপরে।
গদ্যরূপ (৫)
প্রশ্নঃ কবিতার লাইনকে গদ্য ভাষায় লিখি: ‘ঢালিতেছে বারি গুরুর চরণে।’
উত্তরঃ গুরুর পায়ে পানি ঢালছে।
প্রশ্নঃ কবিতার লাইনকে গদ্য ভাষায় লিখি: ‘ভাবিতে ভাবিতে চিন্তার রেখা দেখা দিলো তাঁর ভালে।’
উত্তরঃ ভাবতে ভাবতে তাঁর কপালে চিন্তার রেখা দেখা দিলো।
প্রশ্নঃ কবিতার লাইনকে গদ্য ভাষায় লিখি: ‘বাদশাহর দূত শিক্ষকে ডেকে নিয়ে গেল কেল্লাতে।’
উত্তরঃ বাদশাহর দূত শিক্ষককে ডেকে দুর্গে নিয়ে গেল।
প্রশ্নঃ কবিতার লাইনকে গদ্য ভাষায় লিখি: ‘পুত্র আমার আপনার কাছে সৌজন্য কি কিছু শিখিয়াছে?’
উত্তরঃ আমার ছেলে কি আপনার কাছে কিছু সৌজন্য শিখেছে?
প্রশ্নঃ কবিতার লাইনকে গদ্য ভাষায় লিখি: ‘পুত্র আমার জল ঢালি শুধু ভিজাইছে ও চরণ।’
উত্তরঃ আমার ছেলে শুধু পানি ঢেলে আপনার পা ভিজিয়েছে।
সম্বোধন (৮)
প্রশ্নঃ কাকে কী বলে সম্বোধন করি: সহপাঠী
উত্তরঃ তুমি; তুই
প্রশ্নঃ কাকে কী বলে সম্বোধন করি: মা
উত্তরঃ তুমি; আপনি
প্রশ্নঃ কাকে কী বলে সম্বোধন করি: বাবা
উত্তরঃ তুমি; আপনি
প্রশ্নঃ কাকে কী বলে সম্বোধন করি: বড়ো ভাই-বোন
উত্তরঃ তুমি; আপনি
প্রশ্নঃ কাকে কী বলে সম্বোধন করি: ছোটো ভাই-বোন
উত্তরঃ তুমি; তুই
প্রশ্নঃ কাকে কী বলে সম্বোধন করি: শিক্ষক
উত্তরঃ আপনি
প্রশ্নঃ কাকে কী বলে সম্বোধন করি: বড়ো অপরিচিত মানুষ
উত্তরঃ আপনি
প্রশ্নঃ কাকে কী বলে সম্বোধন করি: ছোটো অপরিচিত মানুষ