পরীক্ষার আগে হাতে তিন মাস থাকলে কাজটা সপ্তাহ ধরে ভাগ করে নিলে কোনো অধ্যায় বাদ পড়ে না। নিচের পরিকল্পনাটি পাঁচ বিষয়ের ৬৭টি অধ্যায় ধরে সাজানো — শেষ দুই সপ্তাহ রাখা হয়েছে দুর্বলতা মেরামত ও মডেল টেস্টের জন্য।
| সময় | কী পড়বে | কীভাবে |
|---|---|---|
| ১ম – ২য় সপ্তাহ | গণিতের ১১টি অধ্যায় | প্রতিদিন একটি অধ্যায়ের অনুশীলনী শেষ করে ঐ অধ্যায়ের প্রশ্নে নিজেকে যাচাই। |
| ৩য় – ৪র্থ সপ্তাহ | গণিতের আটটি বড় প্রশ্ন | প্রতিটি ধরন থেকে অন্তত পাঁচটি করে সমাধান খাতায় লেখা — শুধু উত্তর নয়, ধাপে ধাপে। |
| ৫ম – ৬ষ্ঠ সপ্তাহ | বাংলার ১২টি অংশ | শব্দার্থ, বিপরীত ও সমার্থক শব্দ, এক কথায় প্রকাশ — রোজ অল্প অল্প করে; সাথে কবিতা মুখস্থ। |
| ৭ম – ৮ম সপ্তাহ | ইংরেজির ১৫টি অংশ | বইয়ের প্রতিটি পাঠ ও শব্দার্থ শেষ করা, তারপর ব্যাকরণের অংশগুলো। |
| ৯ম সপ্তাহ | বিজ্ঞানের ১৩টি অধ্যায় | অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন শেষ করে সংক্ষিপ্ত উত্তর লেখার অভ্যাস। |
| ১০ম সপ্তাহ | বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের ১৬টি অধ্যায় | সাল, নাম ও ঘটনার তালিকা আলাদা খাতায় লিখে রাখা। |
| ১১তম সপ্তাহ | দুর্বল জায়গা মেরামত | এতদিনের ফলাফল দেখে যে অধ্যায়ে নম্বর কম, শুধু সেগুলোই আবার। |
| ১২তম সপ্তাহ | পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট | সপ্তাহে অন্তত তিনটি — ঘড়ি ধরে, বোর্ডের নম্বর বণ্টন অনুযায়ী। |
বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করলেই চারটিই খুলে যাবে