সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর — মোট ১০২টি, প্রতিটির উত্তরসহ। পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সাজানো।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: জীবের আবাসস্থল বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ যেখানে কোনো জীব স্বচ্ছন্দে বসবাস করতে পারে সেটাই জীবের আবাসস্থল।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: স্বাদু পানির পরিবেশে কী ধরনের প্রাণী ও উদ্ভিদ থাকে?
উত্তরঃ স্বাদু পানির পরিবেশে কচুরিপানা, শাপলা, কলমির মতো জলজ উদ্ভিদ এবং মাছ, ব্যাঙ, সাপ ও জলচর পাখি থাকে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: জলজ প্রাণীতে কী ধরনের অভিযোজন ঘটে?
উত্তরঃ দেহের মধ্যভাগ চ্যাপ্টা ও মাথা-লেজের দিক সরু হয়, দেহে বায়ুথলি বা পটকা থাকে, পাখনা ও লেজ সাঁতার কাটতে সাহায্য করে এবং ফুলকা দিয়ে পানিতে থাকা অক্সিজেন নিয়ে শ্বাসকার্য চলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: সুন্দরী গাছের মূলগুলো মাটির উপরে উঠে আসে কেন?
উত্তরঃ সুন্দরবনের মাটি লবণাক্ত ও ভেজা বলে মূল শ্বাসকার্যের অক্সিজেন নিতে পারে না; তাই কিছু শাখামূল মাটির উপরে উঠে আসে, এদের অসংখ্য ছিদ্র দিয়ে গাছ বায়ু থেকে অক্সিজেন শোষণ করে।
উত্তরঃ যেসব প্রাণী অন্য প্রাণী বা উদ্ভিদকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তাদের খাদক বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: প্রথম শ্রেণির খাদক কারা? উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যেসব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ খায় অর্থাৎ তৃণভোজী প্রাণী — যেমন গরু, ছাগল, হরিণ, ঘাসফড়িং।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: মানুষের ওপর উদ্ভিদ ও প্রাণী কীভাবে নির্ভরশীল?
উত্তরঃ মানুষ পশুপালন করে প্রাণীর খাদ্য ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে, চিকিৎসা নিশ্চিত করে; চাষাবাদ করে উদ্ভিদের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে, সার দিয়ে পুষ্টি জোগায় এবং রোগ-আগাছা থেকে রক্ষা করে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বাস্তুসংস্থান কী?
উত্তরঃ কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত ব্যবস্থাই বাস্তুসংস্থান।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: একটি খাদ্যশৃঙ্খলে তীরচিহ্ন কী বোঝায়?
উত্তরঃ তীরচিহ্ন বোঝায় শক্তি ও খাদ্য কোন দিকে প্রবাহিত হচ্ছে — অর্থাৎ কে কার খাদ্য হচ্ছে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণ কেন প্রয়োজন?
উত্তরঃ আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও সুরক্ষা প্রদান করে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।
উত্তরঃ সুষম খাদ্য দেহের পুষ্টির ভারসাম্য রক্ষা করে, স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ভালো ঘুম হয় ও মানসিক চাপ কমে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: যথেষ্ট পরিমাণে আমিষ ও তেল সমৃদ্ধ খাবার খেলেও পুষ্টিহীনতা থাকতে পারে — কেন?
উত্তরঃ কারণ একটি খাদ্য উপাদানের অভাবে আরেকটি উপাদান শোষিত হয় না অথবা যথাযথ কাজ করে না; সব উপাদান সঠিক অনুপাতে না থাকলে পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হয়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: কিউরিং কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো খাদ্যকে খাবার লবণ বা এর দ্রবণ দ্বারা সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়াকে কিউরিং বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: আচার কাকে বলে?
উত্তরঃ ফল ও সবজিকে সাধারণত লবণ বা চিনি, সরিষার তেল, ভিনেগার ও মসলা ব্যবহার করে সংরক্ষণ করলে যে খাদ্য প্রস্তুত হয় তাকে আচার বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: খাদ্য নির্বাচনের সময় কোন কোন বিষয় বিবেচনা করতে হয়?
উত্তরঃ বয়স, লিঙ্গ ও শারীরিক পরিশ্রমের বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হয়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: খাদ্যের উপাদানগুলো দেহে কী কী কাজ করে?
উত্তরঃ দেহের বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও সুরক্ষা প্রদান; তাপ উৎপাদন ও কাজ করার শক্তি প্রদান; শারীরবৃত্তীয় কর্মশক্তি প্রদান এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: তিনটি খাদ্য সংরক্ষণ পদ্ধতির নাম লেখ।
উত্তরঃ রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ, ফ্রিজ বা হিমাগারে রেখে সংরক্ষণ, এবং কিউরিং (লবণ দিয়ে সংরক্ষণ); এছাড়া আচার ও জ্যাম-জেলি তৈরি।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বয়ঃসন্ধিকালে শরীর ও মন সুস্থ রাখার উপায়গুলো কী কী?
উত্তরঃ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, নিরাপদ পানি পান, সুষম ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা, প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুম, বাইরের তৈরি ও জাঙ্ক ফুড বর্জন এবং বড়োদের সাথে খোলামেলা আলোচনা।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: ছেলেদের মধ্যে বয়ঃসন্ধিকালে যেসব পরিবর্তন দেখা দেয়, সেগুলো লেখ।
উত্তরঃ পেশি সুগঠিত হয়, কাঁধ চওড়া হয়, গলার স্বর মোটা হয়, শরীরের উচ্চতা ও ওজন বাড়ে এবং মুখে দাড়ি-গোঁফ ওঠে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বয়ঃসন্ধিকাল কাকে বলে?
উত্তরঃ শৈশব থেকে যৌবনে পৌঁছানোর মাঝের যে সময়ে শরীর ও মনে নানা পরিবর্তন এসে একজন শিশু বড়ো ও পরিণত হয়ে ওঠে, সেই সময়কেই বয়ঃসন্ধিকাল বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বয়ঃসন্ধিকালে কী কী খাবার বর্জন করতে হবে?
উত্তরঃ অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার, কোমল পানীয়, বাইরের তৈরি খাবার ও জাঙ্ক ফুড — যেমন চিপস, বার্গার, পিৎজা, চকোলেট ও মিষ্টিজাতীয় খাবার।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বয়ঃসন্ধিকালে কারো সাথে সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা উচিত?
উত্তরঃ মা-বাবা, বড়ো বোন বা পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক ও বিশ্বস্ত কোনো সদস্যের সাথে খোলামেলা আলোচনা করা উচিত।
উত্তরঃ কারণ এ সময় কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে আবেগপ্রবণতা, ভয়, ভীতি ও লজ্জা কাজ করে এবং ঘন ঘন মেজাজের পরিবর্তন হয়; সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশের জন্য মানসিক যত্ন অপরিহার্য।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বয়ঃসন্ধিকালে পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন কেন?
উত্তরঃ কারণ এই সময়ে শরীরের বৃদ্ধি ও বিকাশ দ্রুত হয়, আর সেই বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম খুবই প্রয়োজন।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: পানির অবস্থা কয়টি? তাদের নাম কী কী?
উত্তরঃ তিনটি — কঠিন (বরফ), তরল (পানি) ও বায়বীয়/গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প)।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: পরমাণু ও অণুর মধ্যে দুইটি পার্থক্য লেখো।
উত্তরঃ ১) পরমাণু হলো পদার্থের গাঠনিক একক ও মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা, আর অণু হলো পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ যা ওই পদার্থের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। ২) এক বা একাধিক পরমাণু মিলে অণু তৈরি হয়; অণুকে ভাঙলে পরমাণু পাওয়া যায়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: পদার্থের তরল অবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তরঃ ১) তরলের নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার নেই — যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। ২) এর অণুগুলো কঠিনের চেয়ে দূরে দূরে থাকে, তাই সহজে গড়িয়ে পড়ে বা প্রবাহিত হয়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: পরমাণু কাকে বলে?
উত্তরঃ মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যাকে আর ভাঙা যায় না এবং যা পদার্থের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে, তাকে পরমাণু বা অ্যাটম বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: অণু কাকে বলে?
উত্তরঃ এক বা একাধিক পরমাণু মিলে তৈরি হয় অণু; অণু হলো পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ যা সেই পদার্থের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের পার্থক্য কী?
উত্তরঃ মৌলিক পদার্থের অণুতে একই ধরনের পরমাণু থাকে (যেমন অক্সিজেন), আর যৌগিক পদার্থের অণু একাধিক রকমের পরমাণু দিয়ে গঠিত (যেমন পানি)।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: পুনর্ব্যবহারের দুটি উপকারিতা লেখো।
উত্তরঃ বর্জ্য কমে যাওয়ায় পরিবেশ দূষণ কম হয় এবং নতুন জিনিস কেনার খরচ ও সম্পদের অপচয় কমে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: পানির অণুর গঠন লেখো।
উত্তরঃ পানির একটি অণুতে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু যুক্ত থাকে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: শক্তির বিভিন্ন রূপের নাম লেখো।
উত্তরঃ সৌরশক্তি, আলোকশক্তি, তাপশক্তি, গতিশক্তি, বিদ্যুৎশক্তি, রাসায়নিক শক্তি, শব্দশক্তি ও যান্ত্রিক শক্তি।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: আলো সঞ্চালনে মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না — এই বিষয়টি আমরা কীভাবে বুঝতে পারি?
উত্তরঃ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে বিশাল শূন্যস্থান আছে, সেখানে কোনো মাধ্যম নেই; তবুও সূর্যের আলো ও তাপ বিকিরণ পদ্ধতিতে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়। এ থেকেই বোঝা যায় আলো সঞ্চালনে মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বৈদ্যুতিক ইস্ত্রিতে শক্তির কী রূপান্তর ঘটে?
উত্তরঃ বিদ্যুৎশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: কীভাবে বাসায় শক্তির অপচয় কমানো যায়? কয়েকটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ প্রয়োজন না থাকলে বাতি, পাখা ও টিভি বন্ধ রাখা; দিনের বেলা সূর্যের আলো ব্যবহার করা; শক্তিসাশ্রয়ী বাতি ব্যবহার করা; ফ্রিজের দরজা বারবার না খোলা এবং রান্নার সময় পাত্র ঢেকে রাখা।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: শক্তি কাকে বলে?
উত্তরঃ কাজ করার সামর্থ্যকেই শক্তি বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: পরিবহন পদ্ধতি কাকে বলে?
উত্তরঃ কঠিন পদার্থের মধ্য দিয়ে অণুগুলোর স্থান পরিবর্তন ছাড়াই তাপ যে পদ্ধতিতে সঞ্চালিত হয়, তাকে পরিবহন বলে।
উত্তরঃ তরল ও বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর চলাচলের দ্বারা উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে তাপ সঞ্চালিত হয়; যেমন পাত্রে পানি গরম করলে নিচের পানি উপরে ওঠে ও উপরের শীতল পানি নিচে নামে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বিকিরণ কাকে বলে?
উত্তরঃ তাপ যে প্রক্রিয়ায় কোনো উৎস হতে মাধ্যম ছাড়াই সঞ্চালিত হয় তাকে বিকিরণ বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: শক্তির অপচয় রোধ করা জরুরি কেন?
উত্তরঃ কারণ শক্তির উৎস সীমিত; অপচয় রোধ করলে খরচ কমে, সম্পদ সংরক্ষণ হয় এবং পরিবেশ ভালো থাকে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: ঘর্ষণ বল কাকে বলে?
উত্তরঃ দুটি পৃষ্ঠ পরস্পরের সংস্পর্শে থেকে সরে যেতে চাইলে গতির বিপরীত দিকে যে বাধাদানকারী বল কাজ করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: হেলানো সমতল কী?
উত্তরঃ কোনো উঁচু স্থানে বস্তু তোলা বা নামানোর কাজ সহজ করার জন্য ব্যবহৃত ঢালু তলই হেলানো সমতল — এটি একটি সরল যন্ত্র।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: ঘর্ষণ বল না থাকলে আমাদের চলাফেরায় কী ধরনের সমস্যা হতে পারে?
উত্তরঃ ঘর্ষণ বল না থাকলে পা মাটিতে আঁকড়ে ধরতে পারত না, তাই হাঁটার সময় পিছলে যেতাম; গাড়ি থামানো যেত না এবং কোনো জিনিস হাতে ধরে রাখাও কঠিন হতো।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বাড়িতে বা আশেপাশে যেকোনো দুটি সরল যন্ত্র চিহ্নিত করে সেগুলোর ব্যবহার লেখো।
উত্তরঃ কাঁচি — কাগজ বা কাপড় কাটতে (লিভার); কপিকল — কুয়া থেকে পানি তুলতে। এছাড়া বঁটি, দা, হেলানো সমতল (ঢালু পাটাতন) ও চাকা-অক্ষ সরল যন্ত্রের উদাহরণ।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: যদি পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বল না থাকত, তাহলে আমাদের দৈনন্দিন জীবন কেমন হতো? যুক্তিসহ উত্তর দাও।
উত্তরঃ কোনো বস্তু মাটিতে স্থির থাকত না, সবকিছু ভেসে বেড়াত; আমরা হাঁটতে বা দাঁড়াতে পারতাম না; পানি গ্লাসে থাকত না, বৃষ্টি নিচে পড়ত না এবং বায়ুমণ্ডলও পৃথিবীকে ঘিরে থাকত না।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বল কাকে বলে?
উত্তরঃ যা কোনো বস্তুর গতি, দিক বা আকৃতি পরিবর্তন করতে পারে বা করার চেষ্টা করে তাকে বল বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: মাধ্যাকর্ষণ বল কাকে বলে?
উত্তরঃ পৃথিবী সকল বস্তুকে নিজের দিকে যে বল দিয়ে টানে, তাকে মাধ্যাকর্ষণ বল বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: ঘর্ষণ বলের দুটি উপকারিতা লেখো।
উত্তরঃ হাঁটার সময় পিছলে যাই না এবং গাড়ির ব্রেক কাজ করে বলে গাড়ি থামানো যায়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: সরল যন্ত্র কাকে বলে? দুটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ কাজ সহজ করার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রকে সরল যন্ত্র বলে; যেমন — লিভার ও কপিকল।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় কম কষ্ট হয় কেন?
উত্তরঃ কারণ নামার সময় পৃথিবীর আকর্ষণ বল আমাদের সাথেই কাজ করে, বিরুদ্ধে নয়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: পাহাড়ের ঢালে চাষের ফলে পাহাড়ি ভূমিরূপের কী ধরনের পরিবর্তন হতে পারে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ ঢালে চাষ করলে গাছপালা ও ঘাসের আবরণ নষ্ট হয়, ফলে বৃষ্টির পানিতে উপরের উর্বর মাটি ধুয়ে নিচে নেমে যায়। এতে ভূমিক্ষয় বাড়ে, পাহাড় ধসে পড়তে পারে এবং ধীরে ধীরে পাহাড়ের আকৃতি ও উচ্চতা বদলে যায়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: ভূমিরূপ পরিবর্তনের মানবসৃষ্ট দুটো কারণ লেখো।
উত্তরঃ ১) পাহাড় ও টিলা কেটে বসতি বা রাস্তা নির্মাণ এবং বনাঞ্চল ধ্বংস করা। ২) নদীতে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ ও অনিয়ন্ত্রিত বালু-মাটি উত্তোলন (এবং ভাটায় ইট পোড়ানোর জন্য মাটি কাটা)।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: ভূমিরূপ কাকে বলে?
উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন আকৃতি ও গঠন — যেমন পর্বত, পাহাড়, মালভূমি ও সমভূমি — একে ভূমিরূপ বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: ভূমিরূপের প্রধান প্রকারগুলোর নাম লেখো।
উত্তরঃ পর্বত, পাহাড়, মালভূমি ও সমভূমি।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: ভূমিরূপ পরিবর্তনের দুটি প্রাকৃতিক কারণ লেখো।
উত্তরঃ ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত (এছাড়া নদীভাঙন, বন্যা ও ঝড়)।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: ভূমি সংরক্ষণের তিনটি উপায় লেখো।
উত্তরঃ বেশি করে গাছ লাগানো, পাহাড় ও টিলা না কাটা, এবং নদীতে অপরিকল্পিত বাঁধ ও বালু উত্তোলন বন্ধ করা।
উত্তরঃ কারণ এটি সমতল এবং নদীবাহিত পলিমাটি দিয়ে গঠিত বলে উর্বর; সেচ ও চাষের কাজ সহজে করা যায়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বিদ্যালয় এলাকার মাটি দূষিত করে এরূপ কী কী পদার্থ খুঁজে পাওয়া যায় তা লেখো।
উত্তরঃ পলিথিন ও প্লাস্টিকের প্যাকেট, চিপসের মোড়ক, ভাঙা কাচ, ব্যাটারি, নষ্ট কলম, খাবারের উচ্ছিষ্ট ও কাগজের টুকরা।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: পানি দূষণের কারণে কীভাবে মানুষ ও অন্যান্য জীবের ক্ষতি হয়?
উত্তরঃ দূষিত পানি পান করলে ডায়রিয়া, আমাশয় ও চর্মরোগসহ নানা রোগ হয়। নদী-পুকুরের পানি দূষিত হলে মাছ ও জলজ প্রাণী মারা যায়, জলজ উদ্ভিদ নষ্ট হয় এবং খাদ্যশৃঙ্খলে ভারসাম্য নষ্ট হয়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: পরিবেশ দূষণ কাকে বলে?
উত্তরঃ পরিবেশের মাটি, পানি ও বায়ুর মতো উপাদানে ক্ষতিকর পদার্থ মিশে সেগুলোর স্বাভাবিক গুণাগুণ নষ্ট হওয়াকে পরিবেশ দূষণ বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বায়ুদূষণের তিনটি কারণ লেখো।
উত্তরঃ কলকারখানার ধোঁয়া, যানবাহনের কালো ধোঁয়া এবং বর্জ্য ও পলিথিন পোড়ানো।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: মাটি দূষণের দুটি কারণ লেখো।
উত্তরঃ জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার এবং পলিথিন-প্লাস্টিক বর্জ্য মাটিতে ফেলা।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষার্থীরা কী কী করতে পারে?
উত্তরঃ গাছ লাগানো ও পরিচর্যা করা, ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা, পলিথিন এড়িয়ে চলা, পানি ও বিদ্যুতের অপচয় রোধ করা এবং সহপাঠী ও পরিবারকে সচেতন করা।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: রিসাইক্লিং কী?
উত্তরঃ ব্যবহৃত জিনিস (কাগজ, কাচ, প্লাস্টিক, ধাতু) পুনরায় প্রক্রিয়াজাত করে নতুন জিনিস তৈরি করাই রিসাইক্লিং।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বাংলাদেশে ঋতু কয়টি? তাদের নাম কী কী?
উত্তরঃ ছয়টি — গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বাংলাদেশের বর্ষাকাল সম্পর্কে ২টি বাক্য লেখো।
উত্তরঃ আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস নিয়ে বর্ষাকাল, এ সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। নদী-নালা, খাল-বিল পানিতে ভরে ওঠে এবং কখনো কখনো বন্যা দেখা দেয়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: আহ্নিক গতি কাকে বলে?
উত্তরঃ পৃথিবীর নিজ অক্ষের চারদিকে প্রায় ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘোরাকে আহ্নিক গতি বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বার্ষিক গতি কাকে বলে?
উত্তরঃ পৃথিবীর সূর্যের চারদিকে প্রায় ৩৬৫ দিনে একবার ঘোরাকে বার্ষিক গতি বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বাংলাদেশের ছয় ঋতুর বাংলা মাসগুলো লেখো।
উত্তরঃ সূর্য ও তাকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান গ্রহ, উপগ্রহসহ সব জ্যোতিষ্ক নিয়ে গঠিত ব্যবস্থাই সৌরজগৎ।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: শরৎকালের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তরঃ আকাশ থাকে নীল ও পরিষ্কার, সাদা মেঘ ভেসে বেড়ায় এবং নদীর তীরে কাশফুল ফোটে; বৃষ্টিপাত কমে আসে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: জলবায়ুর উপাদানগুলোর নাম লেখো।
উত্তরঃ তাপমাত্রা, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুর আর্দ্রতা, বায়ুচাপ, বৃষ্টিপাত ও মেঘ।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: আবহাওয়া ও জলবায়ুর তিনটি পার্থক্য লেখো।
উত্তরঃ ১) আবহাওয়া কোনো স্থানের স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা, জলবায়ু দীর্ঘ সময়ের (প্রায় ৩০ বছরের) গড় অবস্থা। ২) আবহাওয়া দ্রুত বদলায়, জলবায়ু সহজে বদলায় না। ৩) আবহাওয়া দিন বা ঘণ্টা ধরে বলা যায়, জলবায়ু বলা হয় অঞ্চলভিত্তিক।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: কালবৈশাখী ঝড় কেন হয়?
উত্তরঃ গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড উত্তাপে ভূপৃষ্ঠের বাতাস দ্রুত গরম হয়ে উপরে উঠে যায় এবং সেখানে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। আশপাশের শীতল ও আর্দ্র বাতাস প্রবল বেগে সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে ছুটে আসে, ফলে বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টি হয় — একেই কালবৈশাখী বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: জলবায়ু পরিবর্তনের পাঁচটি কারণ লেখো।
উত্তরঃ ১) জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, তেল, গ্যাস) পোড়ানো, ২) নির্বিচারে বন ধ্বংস, ৩) কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া, ৪) অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও শিল্পায়ন, ৫) বর্জ্য পোড়ানো ও গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ বৃদ্ধি।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: আবহাওয়া কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো স্থানের স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থাকে আবহাওয়া বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: জলবায়ু কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো অঞ্চলের দীর্ঘ সময়ের (প্রায় ৩০ বছরের) আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বৈশ্বিক উষ্ণতা কী?
উত্তরঃ গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বেড়ে যাওয়াকে বৈশ্বিক উষ্ণতা বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: ঘূর্ণিঝড়ের সময় নিরাপদ থাকতে কী করবে?
উত্তরঃ আগাম সতর্কবার্তা শুনে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হবে, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সঙ্গে নিতে হবে এবং গবাদিপশু নিরাপদ স্থানে রাখতে হবে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: জলবায়ু পরিবর্তন রোধে শিক্ষার্থীরা কী করতে পারে?
উত্তরঃ গাছ লাগানো ও পরিচর্যা, বিদ্যুৎ-পানির অপচয় রোধ, প্লাস্টিক বর্জন, হেঁটে বা সাইকেলে স্কুলে যাওয়া এবং অন্যদের সচেতন করা।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রযুক্তিগুলোর নাম লেখো।
উত্তরঃ কম্পিউটার ও ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ইন্টারনেট, স্মার্টফোন ও ট্যাব, ই-বুক ও অনলাইন ক্লাস প্ল্যাটফর্ম।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: কীভাবে এআই (AI)-এর নিরাপদ ব্যবহার করা যায়?
উত্তরঃ বড়োদের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হবে, ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া যাবে না, এআইয়ের দেওয়া তথ্য যাচাই করে নিতে হবে এবং নির্ভরশীল না হয়ে নিজের চিন্তাশক্তি কাজে লাগাতে হবে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ কীভাবে আমাদের জীবনযাত্রাকে সহজ করেছে?
উত্তরঃ যোগাযোগ দ্রুত ও সহজ হয়েছে, ঘরে বসেই তথ্য পাওয়া যায়, চিকিৎসা ও শিক্ষা সহজলভ্য হয়েছে, কৃষিকাজে উৎপাদন বেড়েছে এবং ব্যাংকিং ও কেনাকাটা অনলাইনে করা যায়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: কম্পিউটারে ছবি দেখা না গেলে এর কোন অংশটি কাজ করছে না বলে ধরে নিতে হবে?
উত্তরঃ আউটপুট অংশ — অর্থাৎ মনিটর কাজ করছে না বলে ধরে নিতে হবে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: প্রযুক্তি কাকে বলে?
উত্তরঃ বিজ্ঞানের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে মানুষের প্রয়োজন মেটানোর জন্য তৈরি যন্ত্র, পদ্ধতি ও কৌশলকে প্রযুক্তি বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: কৃষিক্ষেত্রে প্রযুক্তির দুটি ব্যবহার লেখো।
উত্তরঃ ট্রাক্টর ও সেচযন্ত্র দিয়ে চাষ ও সেচ সহজ করা এবং এআই বা মোবাইল অ্যাপ দিয়ে ফসলের রোগ শনাক্ত ও পরামর্শ নেওয়া।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: চিকিৎসাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার লেখো।
উত্তরঃ এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম ও নানা পরীক্ষায় রোগ নির্ণয়; টেলিমেডিসিনে দূর থেকে চিকিৎসা; ড্রোনে ওষুধ ও ভ্যাকসিন পৌঁছানো এবং অস্ত্রোপচারে রোবটের ব্যবহার।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: প্রযুক্তির অপব্যবহারে কী কী ক্ষতি হতে পারে?
উত্তরঃ চোখের সমস্যা ও মানসিক অস্থিরতা, পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাওয়া, ঘুমের ব্যাঘাত এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরি বা প্রতারণার শিকার হওয়া।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্রের পার্থক্য কী?
উত্তরঃ ইনপুট যন্ত্র কম্পিউটারে তথ্য ও নির্দেশ পাঠায় (কি-বোর্ড, মাউস); আউটপুট যন্ত্র প্রক্রিয়াজাত ফলাফল আমাদের দেখায় বা শোনায় (মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার)।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ প্রকৃতি ও জগৎ সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা ও যুক্তির মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞানই বিজ্ঞান; আর সেই বৈজ্ঞানিক জ্ঞান কাজে লাগিয়ে মানুষের প্রয়োজন মেটাতে তৈরি যন্ত্র, কৌশল ও পদ্ধতিই প্রযুক্তি।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আমরা প্রযুক্তিনির্ভর কী কী সেবা গ্রহণ করি?
উত্তরঃ অনলাইনে জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রের আবেদন, ই-সেবা ও ভূমিসেবা, অনলাইনে বিদ্যুৎ-পানির বিল পরিশোধ, ট্রেন ও বাসের টিকিট সংগ্রহ, ৯৯৯ ও ১৬২৬৩ জরুরি সেবা এবং অনলাইনে ফল প্রকাশ ও ভর্তি কার্যক্রম।
উত্তরঃ পর্দায় সময় সীমিত রাখা ও নির্দিষ্ট সময় পরপর বিরতি নেওয়া, চোখ থেকে নিরাপদ দূরত্ব রাখা, ঘুমের আগে ডিভাইস ব্যবহার না করা, নিয়মিত খেলাধুলা ও শরীরচর্চা করা এবং বড়োদের তত্ত্বাবধানে প্রযুক্তি ব্যবহার করা।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) কী?
উত্তরঃ তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটার, ইন্টারনেট, মোবাইলসহ সব প্রযুক্তিকে একসাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলে।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: শিক্ষায় আইসিটির তিনটি ব্যবহার লেখো।
উত্তরঃ অনলাইন ক্লাস ও ভিডিও পাঠ, ইন্টারনেটে তথ্য অনুসন্ধান এবং ই-বুক ও ডিজিটাল কনটেন্ট পড়া।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: দূরবীক্ষণ ও অণুবীক্ষণ যন্ত্রের পার্থক্য কী?
উত্তরঃ দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দূরের বস্তু (যেমন তারা, গ্রহ) স্পষ্ট দেখা যায়; অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খালি চোখে দেখা যায় না এমন ক্ষুদ্র বস্তু (যেমন জীবাণু) দেখা যায়।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: কৃষিতে প্রযুক্তির অবদান লেখো।
উত্তরঃ উন্নত জাতের বীজ (ইরি, ব্রি, বি আর ৩৩) উদ্ভাবন, সেচযন্ত্র ও ট্রাক্টরের ব্যবহার, এআই ও অ্যাপ দিয়ে ফসলের রোগ শনাক্ত এবং আবহাওয়ার আগাম তথ্য পাওয়া।
প্রশ্নঃ সংক্ষিপ্ত উত্তর: অনলাইনে নিরাপদ থাকার তিনটি নিয়ম লেখো।
উত্তরঃ শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ও গোপন রাখা, ব্যক্তিগত তথ্য কাউকে না দেওয়া এবং অপরিচিত লিংক বা অনুরোধ এড়িয়ে চলা।