বৃত্তি · britti.app

প্রস্তুতি হোক ট্যালেন্টপুল বৃত্তির জন্য

britti.app
সব বিষয়বাংলাইংরেজিগণিতবিজ্ঞানবিশ্বপরিচয়

পঞ্চম শ্রেণির বাংলা বড় প্রশ্ন ও উত্তর

বড় প্রশ্ন ও উত্তর — মোট ৮০টি, প্রতিটির উত্তরসহ। পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সাজানো।

প্রশ্নঃ কোন পেশার মানুষ কী কাজ করে?
উত্তরঃ কৃষক চাষ করেন, জেলে মাছ ধরেন, কামার লোহার জিনিস তৈরি করেন, কুমার মাটির হাঁড়িকুড়ি বানান, তাঁতি কাপড় বোনেন।
প্রশ্নঃ বৈচিত্র্য কীভাবে বাংলাদেশকে সুন্দর করেছে?
উত্তরঃ ভাষা, ধর্ম, পোশাক, পেশা ও উৎসবের নানা রকম মিলেই দেশ সমৃদ্ধ ও সুন্দর হয়েছে।
প্রশ্নঃ নীলচাষিরা কীভাবে তাদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদ করেছিলেন?
উত্তরঃ তিতুমীরের নেতৃত্বে তাঁরা খাজনা দিতে অস্বীকার করেন, নীলচাষে বাধ্য হতে রাজি হননি, লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেন এবং কয়েকটা নীলকুঠি দখল করে নেন।
প্রশ্নঃ ইংরেজদের হাত থেকে এদেশকে মুক্ত করার চিন্তা তিতুমীরের মনে কেন এসেছিল?
উত্তরঃ তখন ইংরেজরা এ দেশ শাসন করত এবং এ দেশের টাকায় নিজেরা ধনী হচ্ছিল; অন্যদিকে জমিদাররা গরিব চাষিদের উপর অত্যাচার করত। তিতুমীর ভাবতেন, দেশের মানুষের জন্য কিছু করা দরকার — তাই দেশকে ইংরেজদের হাত থেকে মুক্ত করার চিন্তা তাঁর মনে আসে।
প্রশ্নঃ দেশের কল্যাণের জন্য তুমি কী কী করতে চাও, তা লেখ।
উত্তরঃ নিজের ভাবনা অনুযায়ী লিখতে হবে — যেমন পড়াশোনা করা, সত্য বলা, গাছ লাগানো, পরিবেশ পরিষ্কার রাখা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা।
প্রশ্নঃ নৌকায় যেতে যেতে মাঝিরা কী কী দেখছে?
উত্তরঃ পাড়জুড়ে ঝোপঝাড়-জঞ্জাল, পানিতে শ্যাওলা, চরে বন-হাঁস, পানকৌড়ির ডুব, ঘোমটা দেওয়া বউয়ের কলসিতে পানি ভরা।
প্রশ্নঃ শৈবালকে কেন টাঁকশাল বলা হয়েছে?
উত্তরঃ শ্যাওলার সবুজ রং পান্নার মতো, আর পানিজুড়ে তা যেন পান্না তৈরি হচ্ছে বলে।
প্রশ্নঃ ‘দূরের পাল্লা’ কবিতাটি পড়তে ভালো লাগে কেন?
উত্তরঃ ছন্দ ও শব্দের ধ্বনি (ছিপখান, টুপ টুপ, বকবক) নদীপথের ছবি চোখের সামনে তুলে ধরে বলে।
প্রশ্নঃ প্রধান শিক্ষকের কাছে কী কী কারণে আবেদন করা যায়, এমন বিষয়গুলো লিখি।
উত্তরঃ অসুস্থতার ছুটি, পারিবারিক অনুষ্ঠানের ছুটি, নতুন পরিচয়পত্র, ছাড়পত্র, বই বা উপবৃত্তির আবেদন, খেলার মাঠ বা শ্রেণিকক্ষের সমস্যার কথা জানানো।
প্রশ্নঃ আবেদনপত্র লিখি: বিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র হারিয়ে ফেলেছি — নতুন পরিচয়পত্র দেওয়ার অনুরোধ করে প্রধান শিক্ষকের কাছে আবেদনপত্র লিখি।
উত্তরঃ তারিখ, বরাবর (প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের নাম-ঠিকানা), বিষয় (নতুন পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন), জনাব, বক্তব্য (কবে কীভাবে হারিয়েছে), অনুরোধ, নিবেদক (নাম, শ্রেণি, রোল) — এই সাতটি অংশ থাকতে হবে।
প্রশ্নঃ চিঠি লিখি: বাবা-মা অথবা বন্ধুর কাছে একটি চিঠি লিখি।
উত্তরঃ স্থান ও তারিখ, সম্বোধন (প্রিয় …), কুশল জিজ্ঞাসা, মূল কথা, শেষে ইতি ও নিজের নাম — এভাবে লিখতে হবে।
প্রশ্নঃ লোকটির সংসারে কী কী ঝামেলা আছে?
উত্তরঃ রেশনের পচা চাল, বাসি ডাল, ভাঙা-চোরা থালা, লিক হওয়া বাটি আর শিক বেরোনো ছাতা।
প্রশ্নঃ ‘ঠিক আছে’ কবিতাটি পড়তে কেন মজা লাগে?
উত্তরঃ হাসির ছলে বলা কথা, সহজ ছন্দ আর বারবার ফিরে আসা ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে’ কথাটির জন্য।
প্রশ্নঃ ‘ঠিক আছে’ কবিতাটি নিজের ভাষায় লিখি।
উত্তরঃ অসময়ে এক মেহমান ঘরে এসে বসেন। ঘরের নানা অভাব ও ঝামেলার কথা বোঝানো হলেও তিনি প্রতিবারই হেসে বলেন — ঠিক আছে। পচা চাল, বাসি ডাল, ভাঙা থালা, লিক বাটি, শিক বের হওয়া ছাতা — কিছুতেই তাঁর আপত্তি নেই।
প্রশ্নঃ ভালো কাজের তালিকা করি — মানুষের জন্য করতে পারি এমন তিনটি কাজ লিখি।
উত্তরঃ যেমন: অসুস্থ প্রতিবেশীর খোঁজ নেওয়া, ছোটদের পড়ায় সাহায্য করা, রাস্তার ময়লা ঠিক জায়গায় ফেলা।
প্রশ্নঃ বাতাসের সঙ্গে যেতে যেতে দুখু কাদের কী কী উপকার করল?
উত্তরঃ কলাগাছের গা থেকে লতাপাতা সরিয়ে দিল আর ঘোড়াকে কচি ঘাস কেটে খাওয়াল।
প্রশ্নঃ দুখু বাড়িতে ফেরার সময় কলাগাছ ও ঘোড়ার কাছ থেকে কী উপহার পেল?
উত্তরঃ ঘোড়ার কাছ থেকে একটি পঙ্খিরাজ ঘোড়ার বাচ্চা আর কলাগাছের কাছ থেকে এক ছড়া সোনার কলা।
প্রশ্নঃ সুখু কেন ভালো কিছু পেল না?
উত্তরঃ লোভ আর অহংকারে সে কলাগাছ ও ঘোড়ার কথা শোনেনি, কারও উপকার করেনি, বুড়ির সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে এবং সবকিছুতে লোভ করেছে।
প্রশ্নঃ নিজের দেখা বা শোনা একটি দুর্যোগের বিষয়ে অনুচ্ছেদ লিখি।
উত্তরঃ কোন দুর্যোগ, কবে ও কোথায় হয়েছিল, কী কী ক্ষতি হয়েছিল, মানুষ কীভাবে বাঁচল ও সাহায্য পেল — এই ধারায় ৮-১০ বাক্যে লিখতে হবে।
প্রশ্নঃ ঝড়ে কী কী উড়ছে তার তালিকা তৈরি করি।
উত্তরঃ চাল, ডাল, গরু, মোষ, খই, বই, পাঁজি, বিশ্বকোষ, ময়লা চাদর, ফরসা জামা, খেতের শর্ষে ও যব, লক্ষ্মীপ্যাঁচা, পক্ষীছানা, মাছ ও গাছ।
প্রশ্নঃ চম্পাবতীর কেশ জলে ভাসছে কেন?
উত্তরঃ ঝড়ের পানির তোড়ে সবকিছু ভেসে যাচ্ছে, চম্পাবতীও পানিতে ভেসে গেছে বলে।
প্রশ্নঃ আজান দেওয়া ও শাঁখ বাজানোর কথা বলা হচ্ছে কেন?
উত্তরঃ বিপদের সময় মানুষ ধর্ম-বিশ্বাস থেকে আল্লাহ বা ঈশ্বরকে ডাকে, সবাইকে সতর্কও করে — তাই।
প্রশ্নঃ কোন কোন বৈশিষ্ট্য বাঘকে দক্ষ শিকারি বানিয়েছে?
উত্তরঃ প্রখর দৃষ্টি, শ্রবণ ও ঘ্রাণশক্তি, শক্তিশালী থাবা ও নখর, তীক্ষ্ণ দাঁত ও মজবুত চোয়াল, আর নিঃশব্দে চলার ক্ষমতা।
প্রশ্নঃ রয়েল বেঙ্গল টাইগার কমে যাওয়ার কারণ কী?
উত্তরঃ প্রাকৃতিক দুর্যোগে জীবন বিপন্ন হওয়া এবং চামড়া ও অন্যান্য প্রত্যঙ্গের লোভে মানুষের বাঘ হত্যা।
প্রশ্নঃ বাঘের সাঁতারের ব্যাপারে কী বলা হয়?
উত্তরঃ বলা হয়, নদী বা খাল পার হওয়ার সময় সে ঠিক সোজাসুজি এগিয়ে যায়; স্রোতে সরে গেলেও আবার ঠিক আগের জায়গায় ফিরে আসে।
প্রশ্নঃ আমার প্রিয় কোনো প্রাণী নিয়ে একটি রচনা লিখি।
উত্তরঃ প্রাণীটির নাম ও চেহারা, কী খায়, কোথায় থাকে, আমার সঙ্গে তার সম্পর্ক, আমি কীভাবে যত্ন নিই, আর কেন সে আমার প্রিয় — এই ধারায় লিখতে হবে।
প্রশ্নঃ টুকটুকের মন বিড়ালছানাটির জন্য কেঁদে উঠল কেন?
উত্তরঃ ছানাটি ভয়ে কাঁপছিল, শরীর কঙ্কালসার, একটি পা কেটে গিয়েছিল আর চোখে যেন পানি ছিল — এই কষ্ট দেখে।
প্রশ্নঃ টুকটুক কীভাবে বিড়ালছানাটির যত্ন নিল?
উত্তরঃ নরম তোয়ালে দিয়ে গা মুছিয়ে, কাটা জায়গা পরিষ্কার করে ওষুধ লাগিয়ে, দুধ খাইয়ে ও কোলে নিয়ে ঘুম পাড়িয়ে।
প্রশ্নঃ ‘রাখাল ছেলে’ কবিতা থেকে গ্রামের সকালের বিবরণ দাও।
উত্তরঃ শিশির-ঝরা ঘাস, মিঠেল রোদ, প্রভাত হাওয়া আর সরষে ফুলের পাপড়ি নাড়ার সকাল।
প্রশ্নঃ ‘রাখাল ছেলে’ কবিতার প্রকৃতির সাথে আমার চারপাশের প্রকৃতির তুলনা করি।
উত্তরঃ নিজের চোখে দেখা প্রকৃতির সঙ্গে কবিতার গ্রামীণ প্রকৃতির মিল-অমিল লিখতে হবে।
প্রশ্নঃ নকশিকাঁথা কীভাবে তৈরি করা হয়?
উত্তরঃ গ্রামের নারীরা মেঝেতে কাপড় পেড়ে কাঁথা বানাতেন, তারপর সেই কাঁথায় নকশা করে ফুল, লতা, পাতা এঁকে নকশিকাঁথা তৈরি করতেন।
প্রশ্নঃ আমার বাড়িতে কী কী কুটির পণ্য আছে তার তালিকা করি।
উত্তরঃ যেমন: বেতের ঝুড়ি, মাটির হাঁড়ি-পাতিল, হাতপাখা, শীতলপাটি, নকশিকাঁথা, মোড়া, কুলা, চালুনি।
প্রশ্নঃ গল্পটির নাম ‘শিষ্যের সাধনা’ কেন, তা লিখি।
উত্তরঃ গুরু গ্রহণ না করলেও একলব্য মনে মনে তাঁকে গুরু মেনে একনিষ্ঠ অনুশীলনে সেরা তিরন্দাজ হয়েছিল — সেই সাধনার গল্প বলেই এই নাম।
প্রশ্নঃ একলব্যের মুখ কেন মলিন হয়ে গেল?
উত্তরঃ দ্রোণ শুধু রাজকুমারদের শেখান বলে তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, তাই।
প্রশ্নঃ তৃতীয় রাজপুত্রের অহংকার কেন ধুলায় মিশে গেল?
উত্তরঃ সে নিজেকে সেরা তিরন্দাজ মনে করত, কিন্তু একলব্যের অসাধারণ কৌশল দেখে বুঝল সে সেরা নয়।
প্রশ্নঃ কুকুরের মুখে কীভাবে তির মারা হয়েছিল?
উত্তরঃ এমন কৌশলে যে মুখের চারপাশে পাঁচটি তির বিঁধে ডাক বন্ধ হয়ে যায়, অথচ এক ফোঁটা রক্ত বা যন্ত্রণার লক্ষণ ছিল না।
প্রশ্নঃ ‘মনে মনে আপনাকে গুরু মেনে আমি এতদিন অনুশীলন করেছি।’ — কথাটি কে, কাকে, কখন বলেছে?
উত্তরঃ একলব্য গুরু দ্রোণকে বলেছে, যখন দ্রোণ বললেন তিনি তাকে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করেননি।
প্রশ্নঃ কবির কী কী করতে ইচ্ছা করে তার একটি তালিকা করি।
উত্তরঃ নদীর কাছে থাকতে, বকুল ডালে লুকিয়ে পাখির মতো ডাকতে, উড়তে, শহর ছেড়ে সবুজ গাঁয়ে ঘুরতে, পাখি হয়ে বন্য হতে।
প্রশ্নঃ ‘পাখির মতো’ কবিতায় কবি পাখির মতো বন্য হতে চান কেন?
উত্তরঃ ঘরে বসে পড়ার বাঁধন ছেড়ে মুক্তভাবে প্রকৃতির মাঝে উড়ে বেড়াতে চান বলে।
প্রশ্নঃ খরগোশ কেন বাঘের কাছে যেতে চাইল না?
উত্তরঃ খরগোশ অন্যের খাদ্য হতে চায় না; সে নিজে খেতে চায়, বাঁচতে চায়। অল্প বয়সে মরতে বা বাঘের গ্রাসে যেতে সে চায় না।
প্রশ্নঃ বাঘ কেন কুয়ার মধ্যে লাফ দিলো?
উত্তরঃ কুয়ার পানিতে নিজের ছায়া দেখে সেটিকে আরেকটি বাঘ ভেবে, রাগে তার সঙ্গে লড়তে গিয়ে।
প্রশ্নঃ ‘সংকল্প’ কবিতায় কবি বন্ধ ঘরে থাকতে চান না কেন?
উত্তরঃ তিনি সারা জগৎ ঘুরে দেখতে চান, মানুষ কীভাবে বেঁচে আছে ও এগিয়ে যাচ্ছে তা জানতে চান বলে।
প্রশ্নঃ যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে মানুষ ঘুরছে বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ সময়ের আবর্তে মানুষ এক যুগ থেকে আরেক যুগে এগিয়ে চলেছে — এই কথা বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্নঃ সাগরে মানুষ কী কী ধরনের সাহস দেখাচ্ছে?
উত্তরঃ ডুবুরি সাগর সেঁচে মুক্তা আনছে, ঢেউয়ের ঝুঁটি জাপটে ধরে যুদ্ধ-জাহাজ ছুটছে, সিন্ধু-যানে মানিক বোঝাই করে আনছে।
প্রশ্নঃ ‘সংকল্প’ কবিতায় কবি কোথায় কোথায় যেতে চান?
উত্তরঃ আকাশ-বাতাস, চন্দ্র-তারা, সাগর-জল, পাহাড়-চূড়া — সব জায়গায়; পাতাল ফেড়ে নিচে নামতে আর আকাশ ফুঁড়ে উঠতে চান।
প্রশ্নঃ ১৯৭১ সালের পঁচিশে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সৈন্যরা এদেশে কী করেছিল?
উত্তরঃ গভীর রাতে ঢাকার নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস, পুলিশ ব্যারাক ও আবাসিক এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে নির্বিচারে হত্যা করেছিল।
প্রশ্নঃ কোন শহিদ বুদ্ধিজীবী প্রথম পাকিস্তানি গণপরিষদে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান? তাঁর সম্পর্কে লিখি।
উত্তরঃ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। তিনি ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী; ১৯৪৮ সালে গণপরিষদে প্রথম বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তোলেন। ১৯৭১ সালে ৮৫ বছর বয়সে কুমিল্লার বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়।
প্রশ্নঃ আমরা কেন চিরদিন শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করব?
উত্তরঃ তাঁরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান; দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মদান করেছেন, তাই তাঁদের আত্মদান কখনো ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।
প্রশ্নঃ কোন দিনটিকে ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়? কেন?
উত্তরঃ ১৪ই ডিসেম্বর। কারণ ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর থেকে পাকিস্তানিরা নতুন করে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞ শুরু করে।
প্রশ্নঃ আমার এলাকার বিখ্যাত তিনটি জিনিসের নাম লিখি।
উত্তরঃ নিজের এলাকা অনুযায়ী লিখতে হবে — যেমন বিখ্যাত খাবার, নদী বা দর্শনীয় স্থান, আর কোনো কুটির পণ্য বা ফসল।
প্রশ্নঃ উয়ারী ও বটেশ্বরে কী কী প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া গেছে?
উত্তরঃ রৌপ্যমুদ্রা, হাতিয়ার, পাথরের পুঁতি, ইটের স্থাপত্য, বন্দর, রাস্তা, গলি, পোড়ামাটির ফলক, মূল্যবান পাথর, পাথরের বাটখারা, কাচের পুঁতি ও মুদ্রাভান্ডার।
প্রশ্নঃ কীভাবে উয়ারী-বটেশ্বরে প্রাচীন সভ্যতার খোঁজ পাওয়া যায়?
উত্তরঃ শ্রমিকেরা মাটি কাটার সময় প্রায়ই পুরানো জিনিস পেতেন; ১৯৩৩ সালে পাওয়া মুদ্রা স্কুলশিক্ষক হানিফ পাঠান সংগ্রহ করেন, পরে ধারাবাহিক সংগ্রহ ও ২০০০ সালের খননকাজে নগরের সন্ধান মেলে।
প্রশ্নঃ ‘খুবই সমৃদ্ধ ছিল প্রাচীন উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চল’ — কীভাবে এটি বোঝা যায়?
উত্তরঃ রৌপ্যমুদ্রা ও মুদ্রাভান্ডার, ইটের স্থাপত্য, বন্দর, পরিকল্পিত রাস্তা-গলি, মূল্যবান পাথর ও কাচের পুঁতি এবং রোমান সাম্রাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্য-যোগাযোগ থেকে।
প্রশ্নঃ ‘ইচ্ছামতী’ কবিতায় কবি কী হতে চান? কেন হতে চান?
উত্তরঃ তিনি ইচ্ছামতী নদী হতে চান; কারণ নদী হলে দুই পারের মানুষের সঙ্গে মনের কথা বলা যাবে, ঘুরে ঘুরে গান গেয়ে বেড়ানো যাবে।
প্রশ্নঃ আমি যা হতে চাই সে সম্পর্কে লিখি।
উত্তরঃ কী হতে চাই, কেন হতে চাই, তার জন্য এখন কী করছি ও ভবিষ্যতে কীভাবে মানুষের উপকার করব — এই ধারায় লিখতে হবে।
প্রশ্নঃ ইচ্ছামতী নদীতীরের দিন ও রাতের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ দিনে মানুষের যাওয়া-আসা, গোরু-মহিষ নিয়ে পার হওয়া, ঘাটে গোসল আর জলের উপর ঝলোমলো আলো; রাতে সব থম থম, ডাঙার পানে চেয়ে গা ছম ছম করে।
প্রশ্নঃ ধারাবাহিক গল্প বলি: ‘এক দেশে এক রাজা ছিল। রাজা তরমুজ খেতে খুব পছন্দ করতেন। একদিন রাজা বড়ো একটা তরমুজ খেয়ে ফেললেন…’ — গল্পটি এগিয়ে নিই।
উত্তরঃ নিজের কল্পনায় গল্পটি এগিয়ে নিতে হবে — পরের ঘটনা, সমস্যা ও সমাধান লিখে শেষ করতে হবে।
প্রশ্নঃ বাদশাহ আলমগীর একদিন সকালে কী দেখলেন?
উত্তরঃ শাহজাদা এক পাত্র হাতে নিয়ে গুরুর পায়ে পানি ঢালছে, আর শিক্ষক নিজের হাতে নিজের পায়ের ধুলা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করছেন।
প্রশ্নঃ শিক্ষক কেন ভয় পেলেন?
উত্তরঃ দিল্লির বাদশাহর ছেলের হাতে তিনি নিজের পায়ে পানি নিয়েছিলেন। তিনি ভাবলেন, এটি দুঃসাহসের কাজ, এমন অপরাধ কেউ কখনো করেনি — তাই আজ আর তাঁর রক্ষা নেই, হয়তো তাঁর সবকিছুই চলে যাবে।
প্রশ্নঃ শিক্ষক কী ভেবে মনে সাহস পেলেন?
উত্তরঃ তিনি ভাবলেন, শিক্ষক হিসেবে তিনি সবার শ্রেষ্ঠ; শিক্ষকের কাছে দিল্লির বাদশাহও তুচ্ছ। তিনি কারও কাছে ঋণী নন, তাঁর মনে বল আছে। বাদশাহ জিজ্ঞেস করলে তিনি অনর্গল শাস্ত্রের কথা শোনাবেন — তাতে প্রাণ যায় যাক, কারণ প্রাণের চেয়েও মান বড়ো।
প্রশ্নঃ শিক্ষকের উচ্ছ্বাসের কারণ কী?
উত্তরঃ বাদশাহ শিক্ষককে শাস্তি দেননি; বরং দুঃখ করে বললেন, তাঁর ছেলে কেন নিজের হাতে যত্ন করে গুরুর পা ধুয়ে দিল না। শিক্ষকের প্রতি বাদশাহর এমন গভীর শ্রদ্ধা দেখে শিক্ষক উচ্ছ্বসিত হলেন এবং বাদশাহকে কুর্নিশ করে উঁচু কণ্ঠে বললেন — আজ থেকে শিক্ষাগুরুর মাথা চিরদিনের জন্য উঁচু হলো।
প্রশ্নঃ মহানবির (স) শেষ ভাষণ থেকে আমরা কী কী শিক্ষা পাই?
উত্তরঃ মানুষ হিসেবে নিজেদের মর্যাদা ধরে রাখা, মেয়েদের অধিকারকে সম্মান করা, ধনী-গরিবের বৈষম্য না করা এবং কাউকে জাতি বা ধর্ম দিয়ে আলাদা না করা।
প্রশ্নঃ গোলাম যদি আমির হয় তাকে অনুসরণ করতে হবে কেন?
উত্তরঃ কারণ নবিজি বলেছেন, গোলামও আল্লাহর বান্দা; কোনো গোলাম যদি নিজের যোগ্যতায় আমির হয়, তবে তাকে মেনে চলবে।
প্রশ্নঃ ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ পাঠে বর্ণিত বীর শহিদদের একটি ধারাবাহিক তালিকা প্রস্তুত করি।
উত্তরঃ তিতুমীর → সূর্য সেন ও প্রীতিলতা → সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার (১৯৫২) → আসাদ, মতিউর, আনোয়ারা বেগম, সার্জেন্ট জহুরুল হক, অধ্যাপক শামসুজ্জোহা (১৯৬৯) → মুক্তিযোদ্ধারা (১৯৭১) → সেলিম-দেলোয়ার (১৯৮৩) → নূর হোসেন (১৯৮৭) → ডা. মিলন ও জেহাদ (১৯৯০) → আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধসহ শহিদেরা (২০২৪)।
প্রশ্নঃ ইংরেজদের বিরুদ্ধে দেশ বাঁচাতে কারা যুদ্ধ করেছিলেন?
উত্তরঃ তিতুমীর, সূর্য সেন ও প্রীতিলতাসহ আরও অনেকে।
প্রশ্নঃ ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে যা জানি তা লিখি।
উত্তরঃ পাকিস্তানের শাসক আইয়ুব খানের অত্যাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালে গণ-অভ্যুত্থান হয়; শহিদ হন ছাত্রনেতা আসাদ, নবম শ্রেণির মতিউর, আনোয়ারা বেগম, সার্জেন্ট জহুরুল হক ও অধ্যাপক শামসুজ্জোহা।
প্রশ্নঃ ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে মানুষ জীবন দিয়েছেন কেন?
উত্তরঃ অধিকারের দাবি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে — একটি বৈষম্যহীন, সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে।
প্রশ্নঃ পোস্টার ও প্ল্যাকার্ডের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তরঃ পোস্টার বড়ো কাগজে লিখে টাঙানো হয়; প্ল্যাকার্ড শক্ত মোটা কাগজে লেখা হয় এবং ধরার জন্য নিচে কখনো কখনো বাঁশ বা কাঠের ফালি লাগানো হয়। তবে দুটিতে একই কথা লেখা যায়।
প্রশ্নঃ মিতুর মন খারাপ হয়েছিল কেন?
উত্তরঃ স্কুলে আসার পথে সে দেখে একটা গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে; সেই গাছের ডালে থাকা পাখির বাসাটি ভেঙে গেছে।
প্রশ্নঃ পাখিদের জন্য গাছ কেন দরকারি — জামসেদ স্যার কী বলেছিলেন?
উত্তরঃ পাখিরা গাছে বাসা বানায়; পাখিদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ খুবই দরকার।
প্রশ্নঃ ১৯৭১ সালের পঁচিশে মার্চ রাতে আর ১৪ই ডিসেম্বরে পাকিস্তানি সেনারা কী করেছিল? লেখো।
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের পঁচিশে মার্চ গভীর রাতে পাকিস্তানি সেনারা ঢাকার নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস, পুলিশ ব্যারাক ও আবাসিক এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে। সেই রাতেই শহিদ হন শিক্ষক এম. মুনিরুজ্জামান, অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা ও ড. গোবিন্দচন্দ্র দেব। যুদ্ধের শেষ দিকে পরাজয় অবধারিত বুঝে তারা দেশকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্র করে। ১৪ই ডিসেম্বর থেকে তারা মুনীর চৌধুরী, শহীদুল্লা কায়সারসহ বহু শিক্ষক, সাংবাদিক ও চিকিৎসককে ধরে নিয়ে হত্যা করে। স্বাধীনতার পর অনেকের লাশ পাওয়া যায় মিরপুর ও রায়ের বাজারের বধ্যভূমিতে। তাঁদের স্মরণে প্রতিবছর ১৪ই ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়।
প্রশ্নঃ উয়ারী-বটেশ্বর সম্পর্কে যা জানো লেখো।
উত্তরঃ উয়ারী ও বটেশ্বর নরসিংদী জেলার দুটি গ্রাম। ধারণা করা হয়, সেখানে খ্রিষ্টপূর্ব ছয়-সাত শতকে নগর গড়ে উঠেছিল, যা এখন মাটির নিচে চাপা পড়েছে। ১৯৩৩ সালে উয়ারী গ্রামে একটি পাত্রে জমানো কিছু মুদ্রা পাওয়া যায়; স্কুলশিক্ষক হানিফ পাঠান সেখান থেকে মুদ্রা সংগ্রহ করেন। ২০০০ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদরা খননকাজ শুরু করলে প্রাচীন দুর্গ-নগর, রাস্তা, ইটের স্থাপত্য, রৌপ্যমুদ্রা, পাথরের পুঁতি ও হাতিয়ার পাওয়া যায়। নদী ও সমুদ্রপথে রোমান সাম্রাজ্যের সাথে এর যোগাযোগ ছিল। প্রাচীনকালে এই সমৃদ্ধ নগর সোনাগড়া নামে পরিচিত ছিল।
প্রশ্নঃ মহানবি (স) তাঁর বিদায় হজের ভাষণে গোলাম সম্পর্কে কী বলেছেন? আলোচনা করো।
উত্তরঃ বিদায় হজের ভাষণে মহানবি (স) বলেছেন, তোমাদের গোলামও আল্লাহর বান্দা। তাদের প্রতি নিষ্ঠুর ব্যবহার কোরো না। তোমরা নিজেরা যা খাবে, তাদেরও তা-ই খেতে দেবে; নিজেরা যে কাপড় পরবে, তাদেরও তা-ই পরতে দেবে। কোনো গোলাম যদি নিজের যোগ্যতায় আমির হয়, তবে তাকে মেনে চলবে। এই উপদেশ মানুষে মানুষে সমতার শিক্ষা দেয়।
প্রশ্নঃ কুটির শিল্প বলতে কী বোঝায়? বাংলাদেশের কয়েকটি কুটির শিল্পের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ একসময় গ্রামের কুটিরে হাতে বানানো জিনিসকে কুটির পণ্য বলা হতো; এসব পণ্যকে শিল্পের মর্যাদা দিয়ে বলা হয় কুটির শিল্প। বাংলাদেশের কুটির শিল্পের মসলিন কাপড় একসময় পৃথিবীতে বিখ্যাত ছিল। তাঁতে বোনা জামদানি শাড়ি বাংলাদেশের নিদর্শন হিসেবে বিশ্বে সুপরিচিত। মুর্তা গাছ দিয়ে বানানো শীতলপাটিও নিদর্শনের মর্যাদা পেয়েছে। গ্রামের নারীরা কাঁথায় ফুল, লতা, পাতার নকশা করে নকশিকাঁথা তৈরি করেন। এছাড়া বাঁশ, বেত, পাট ও মাটি দিয়ে নানা প্রয়োজনীয় জিনিস তৈরি হয়। ইবনে বতুতার বিবরণেও বাংলার সমৃদ্ধ কুটির শিল্পের কথা আছে।
প্রশ্নঃ ধর্ম সম্পর্কে মহানবি (স) কী উপদেশ দিয়েছেন? বর্ণনা করো।
উত্তরঃ মহানবি (স) বিদায় হজের ভাষণে ধর্ম সম্পর্কে বলেছেন, তোমরা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে না। নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। অন্য ধর্মের মানুষের উপর নিজের ধর্ম চাপিয়ে দেবে না। তিনি আরও জোর দিয়েছেন, কাউকে জাতি বা ধর্ম দিয়ে আলাদা করা যাবে না। এই উপদেশ আমাদের সব ধর্মের মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে থাকার শিক্ষা দেয়।
প্রশ্নঃ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ রয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের জাতীয় পশু। সুন্দরবনে এই বাঘ দেখা যায়। এর গায়ের রং হলুদ থেকে গাঢ় কমলা, তাতে কালো ডোরাকাটা দাগ, আর পেটের দিক সাদা। বাঘ বিড়াল প্রজাতির সবচেয়ে বড়ো প্রাণী; পুরুষ বাঘের গড় ওজন ২২০ কেজি। এদের দৃষ্টি, শ্রবণ ও ঘ্রাণশক্তি খুব প্রখর, থাবা শক্তিশালী। একটি বাঘ দিনে ৭ থেকে ৮ কেজি খাবার খায়; হরিণ, শূকর, বানর এদের প্রধান খাদ্য। বাঘ ভালো সাঁতার কাটে এবং ৩০ থেকে ৩৫ বছর বাঁচে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর চামড়ার লোভে বাঘ মারার কারণে এদের সংখ্যা কমছে, তাই সুন্দরবন রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।
প্রশ্নঃ তিতুমীর কেন ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন?
উত্তরঃ ইংরেজ শাসক ও তাদের সহযোগী জমিদাররা সাধারণ কৃষকের ওপর অন্যায় খাজনা ও অত্যাচার চালাত। ধর্মীয় আচার পালনেও বাধা দিত। এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিতুমীর কৃষকদের সংগঠিত করেন। নারকেলবাড়িয়ায় বাঁশের কেল্লা গড়ে তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করেন এবং শেষ পর্যন্ত শহিদ হন।
প্রশ্নঃ শব্দদূষণ রোধে আমাদের কী করা উচিত? আলোচনা করো।
উত্তরঃ শব্দদূষণ রোধে অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে। হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ের আশপাশে নীরব এলাকা ঘোষণা করে তা মেনে চলতে হবে। উচ্চ শব্দে মাইক বা সাউন্ডবক্স বাজানো যাবে না। কলকারখানা লোকালয় থেকে দূরে সরাতে হবে এবং রাস্তার পাশে গাছ লাগাতে হবে, কারণ গাছ শব্দ শুষে নেয়।
প্রশ্নঃ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা সম্পর্কে যা জানো লেখো।
উত্তরঃ বাংলাদেশে চাকমা, মারমা, গারো, সাঁওতালসহ নানা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বাস করে। তাদের নিজস্ব ভাষা, পোশাক ও উৎসব আছে। চাকমারা পিনোন-হাদি, গারোরা দকমান্দা আর সাঁওতালরা পাঞ্চি পরে। তারা জুমচাষ, তাঁতবুনন ও পশুপালন করে জীবিকা নির্বাহ করে। বৈসাবি, ওয়ানগালা তাদের প্রধান উৎসব। এই বৈচিত্র্য আমাদের দেশের সম্পদ।
প্রশ্নঃ একলব্যের সাধনার কাহিনি সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ একলব্য ছিল এক শিকারির ছেলে। সে গুরু দ্রোণের কাছে তির চালনা শিখতে গিয়েছিল, কিন্তু দ্রোণ শুধু রাজকুমারদের শেখাতেন বলে তাকে ফিরিয়ে দেন। একলব্য ফিরে গিয়ে নিজে নিজে তির চালনার অনুশীলন শুরু করে। বহু বছর পর এক রাজপুত্রের শিকারি কুকুর চিৎকার করে তার সাধনায় ব্যাঘাত ঘটালে সে কুকুরটির মুখে পাঁচটি তির এমনভাবে মারে যে এক ফোঁটা রক্তও ঝরেনি। রাজপুত্রের কাছে কুকুরটি দেখে দ্রোণ অবাক হলেন — এমন আশ্চর্য বিদ্যা তিনি নিজেও জানেন না। পরে একলব্য তাঁকে বলে, মনে মনে তাঁকে গুরু মেনেই সে এতদিন অনুশীলন করেছে। নিবিড় অনুশীলন একলব্যকে সেরা তিরন্দাজ বানিয়েছে। এ গল্প শেখায়, একনিষ্ঠ সাধনা মানুষকে সফল করে।

বাংলা — আরও ধরন

শব্দের অর্থযুক্তবর্ণএক কথায় প্রকাশসমার্থক শব্দবিপরীত শব্দক্রিয়াপদের চলিত রূপশূন্যস্থান পূরণফরম পূরণবহুনির্বাচনি প্রশ্নসত্য-মিথ্যাছোট প্রশ্ন ও উত্তরবাক্য রচনাবিরামচিহ্নসমোচ্চারিত শব্দ

আরও অনুশীলন করতে বাংলা বিষয়ের পাতাটি দেখুন — সেখানে বইয়ের অধ্যায় ধরেও প্রশ্ন আছে।

কেমন শিখলে এক্ষুনি যাচাই করে নাও

বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করলেই চারটিই খুলে যাবে

Unlimited প্রশ্ন পেতে এক্ষুনি বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করুন